CEO Bet365 কীভাবে শুরু হয়েছিল
২০১৮ সালে যখন CEO Bet365 যাত্রা শুরু করেছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা হাতেগোনা। অধিকাংশ বিদেশি সাইট বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের চাহিদা বুঝত না — না ভাষায়, না পেমেন্টে, না গেমের ধরনে। CEO Bet365-এর প্রতিষ্ঠাতারা এই শূন্যস্থান পূরণ করতে চেয়েছিলেন।
শুরুতে মাত্র কয়েকটি স্পোর্টস বেটিং মার্কেট নিয়ে CEO Bet365 চালু হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের কারণে CEO Bet365 দ্রুত বড় হতে শুরু করে। প্রথম বছরেই ৫০ হাজারেরও বেশি সদস্য যোগ দেন — যা সবাইকে অবাক করে দিয়েছিল।
বাংলাদেশের মানুষের জন্য তৈরি প্ল্যাটফর্ম
CEO Bet365-এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি শুরু থেকেই বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। বিকাশ, নগদ, রকেটের মতো স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করা হয়েছে যাতে ডিপোজিট ও উইথড্র সহজ হয়। বাংলা ভাষায় সম্পূর্ণ ইন্টারফেস তৈরি করা হয়েছে।
CEO Bet365 বিশ্বাস করে যে অনলাইন গেমিং হওয়া উচিত সবার জন্য সহজলভ্য। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্ম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে একজন নতুন খেলোয়াড় থেকে অভিজ্ঞ বেটর — সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করতে পারেন।
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ
CEO Bet365 সবসময় প্রযুক্তিতে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। ২০২০ সালে লাইভ বেটিং ফিচার চালু হওয়ার পর থেকে প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তা নাটকীয়ভাবে বাড়তে থাকে। ৩০০ মিলিসেকেন্ডে অডস আপডেট, লাইভ স্কোর ট্র্যাকার এবং মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন — এগুলো CEO Bet365-কে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এগিয়ে রেখেছে।
২০২২ সালে CEO Bet365 তাদের ক্যাসিনো বিভাগ সম্প্রসারিত করে। লাইভ ডিলার গেম, স্লট এবং ফিশ গেম যোগ হওয়ায় CEO Bet365 একটি পূর্ণাঙ্গ গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।
দায়িত্বশীলতার প্রতি CEO Bet365-এর প্রতিশ্রুতি
CEO Bet365 বিশ্বাস করে যে মজার গেমিং আর দায়িত্বশীলতা একসাথে চলতে পারে। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেশন লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন সহ বিভিন্ন টুল রাখা হয়েছে। CEO Bet365 কখনো অপ্রাপ্তবয়স্কদের গেমিংকে উৎসাহিত করে না এবং কঠোর বয়স যাচাই ব্যবস্থা অনুসরণ করে।
বাংলাদেশে CEO Bet365 এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চায় যেখানে মানুষ আনন্দের সাথে খেলতে পারবেন এবং একই সাথে নিজেদের সীমার মধ্যে থাকতে পারবেন। এই দর্শনটিই CEO Bet365-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে।